একজন ভার্চুয়াল মানুষের মৃত্যু

•July 1, 2007 • 2 Comments

কিছু বলার নাই। তারপরো লিখলে অনেক কিছু লেখা হয়ে যায়। বিদায়ী ম্যাসেজ? উমমম না। বিদায়ী ম্যাসেজ না। ফিরে আসবো হয়তো কোনো একদিন। ভালো তর্ক্কিশ আর ভালো ভার্চু মানুষ হয়ে, অবশ্যই। এসব করে আসলে কোনো ফায়দা হয়না। মনের খোরাখ, মনে যা চায় তা তাকে গিলিয়ে খাওয়ানো।

আমি জিসিটা ভালো রকমের বোকাসোকা : ) এবং অবশ্যই আমার মাথায় ভটভটির  সিট আছে! যেখানে যা থাকুক না কেন, এক পৃথিবীতে আট/দশটা ঈশ্বর থাকেনা। ঈশ্বর একজনই। সেই একজন উপযুক্ত ঈশ্বরের কাছে পৃথিবীটা যেন শান্তিতে এবং পরম মমতায় থাকতে পারে সে কামনা করি।

জগতের যেখানে যা আছে. . . সব কিছু অ-নে-ক অ-নে-ক ভালো থাকুক, সুস্থ্য থাকুক, জগতের সব সুন্দর স্বপ্ন নিয়ে তারা স্বপ্নজাল বুনুক…

কামনা করি।

: তুহি রে…তুহি রে…

Love?

•May 22, 2007 • 4 Comments

<life>
              <love>
              <heartbreak>
              </love>
</life>

শেঁকড় কথন- ২

•May 18, 2007 • Leave a Comment

জীবনের অনেকটা সময় একা থাকতে হলো। এটা নিয়ে তেমন একটা আপসোস নাই। আমার ভাবতে অবাক লাগছে আজ, যার প্রয়োজনে আমার এই এতদূরে এসে পড়াশুনা করা, তার প্রয়োজন এখন আর নাই। হাবারাম এই আমি আজো সংসারের বোঝা হয়ে থাকলাম। কিচ্ছু করতে হচ্ছে না। অলস সময়ের বাসিন্দা, অনেক কিছু বুঝি তারপরও কতকিছু বুঝিনা, জানিনা। ছোট বেলা থেকে বড় হয়েছি আত্মীয় বিমুখী মনোভাব নিয়ে। আত্মীয়দের বাড়ি যেতাম না, তাদের সাথে কথা বলতাম না, তাদের এড়িয়ে যেতাম, কারণ তারা আমাদের অসময়ে কখনো কাছে আসেনি, আমাদের জিজ্ঞাসা করেনি, কেমন আছি আমরা। ছোট চাচাকে আজীবন ঘৃনা করে বড় হয়েছি। তাকে টার্গেট ধরে এগিয়েছি। আজ এখন যখন আমাদের সবকিছু হলো তখন আবার সবাই আমাদের সাথে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী। বড় চাচার ছেলে-মেয়ে তাদের একা ফেলে নিজ নিজ সংসার নিয়ে ব্যস্ত। তারা এখন পেনসনের টাকা আর ঘর ভাড়া নিয়ে একাকী প্রহর গুনছে মৃত্যুর। সঙ্গী তাদের ডায়াবেটিকস, প্রেসার, পেটের পিড়া, দাঁতের ব্যাথা। ফুফু মারা গেলেন কিছুদিন হলো, ক্যান্সারে; তার আগে সপ্তায় দু/তিন বার আমাদের বাড়িতে যেতেন। ছোট চাচা বুঝতে পারলেন, যা দিয়েছেন বড় চাচা তার সবটাই নিজের নামে করেছেন। বাড়ি, জমি. . . সব। ফুফুও ঠিক তাই। ফোন করে এখন সেই অতীতের কথা তুলে তিনি আমাদের মায়া লাগানোর চেষ্টা করেন। মা আমার খুব বেশি আবেগী, মানুষকে কত সহজেই মাপ করে দেন। এটা আমার অসহ্য লাগে। ছোট চাচার জন্য তিনি কি না করেছিলেন। আজ এতগুলো বছর পেরিয়ে এসে তিনি বললেন, তিনি ভুল করেছেন। এখন তাকে ঘৃনা করি নাকি করিনা সেটাও বুঝতে পারিনা। হঠাৎ করে মনে হতে লাগলো যে আমার শত প্রচেষ্টা যে ক্ষোভের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই ক্ষোভইতো নেই, তবে কিসের জন্য আমি লড়াই করছি? মনে পড়ে সামান্য ক্ষোভ, অভিমান আর হারানোর জ্বালার কারনে জীবন থেকে কয়েক বছর হারিয়ে যাবার কথা। ঈশ্বরকে আর কখনো দায়ী করবো না, কারণ যেখানে ভাগ্যে বিশ্বাসি নই সেখানে ঈশ্বরের উপস্থিতি বড্ড বেশি বেমানান। কৈশোরের পাগলামি জ্বর না থাকলে হয়তো অনেক কিছু করে ফেলতে পারতাম। খুব বেশি অর্থহীন মনে হচ্ছে নিজের এই একা থাকাটা. . . টোফেল করতে হতে পারে, অন্তত  পথটা হারাতে চাইনা। ঐ পথ ধরেই এগিয়ে যেতে হবে আমাকে। আমি ৫টা বছর পরে দাঁড়াতে চাই এমন কোন সাগর তীরে যেখানে নিজের অবয়ব খুব ভালো করে দেখতে পাওয়া যায়। আমি নিজেরে দেখতে চাই প্রাণ ভরে। আমি নিজেরে দেখতে চাই. . .

নামানুষ- ১

•May 18, 2007 • 1 Comment

কিছু মানুষের সহজাত বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তারা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে খুব সহজেই। সবার সাথে মাখন মাখিয়ে কথা বলতে পারে, হাসতে পারে, হাঁটতে পারে, সময় পাস করতে পারে, সেই একই সূরে, কিছু প্রাপ্তির প্রত্যাশা নিয়ে। এটা একজন স্বাভাবিক মানুষের জন্মগত বৈশিষ্ট্য, অধিকারও বটে। আগে জানা ছিলোনা, এখন জানি : ) আমার এই বৈশিষ্ট্যটা নাই কেন তা নিয়ে অত ভাবি না। আমি ‘না-মানুষ’ গোত্রীয়। মাঝে মাঝে মানুষ হতে ইচ্ছা করে, হিংসা করতে ইচ্ছা করে, ওহ সাথে ঈর্ষাও। এখন পুরোপুরি ‘না-মানুষ’ হতে হবে, মানবীয় গুনাবলী আর জমাট কিছু কৌতহল জীবন থেকে বাদ দিতে হবে।   

একটি ফাঁকা আবেগের ব্যাবচ্ছেদ

•May 17, 2007 • Leave a Comment

আমি মনে করি সবার উচিৎ নিজ নিজ ভবিষ্যৎ, স্বপ্ন, আশা বাঁচিয়ে রাখা। রাখুক সবাই। আমার কোন অভিযোগ, বিদ্বেষ, বিতৃষ্ণা নাই। তবে, ভালোবাসার প্রতি অতিমাত্রায় আস্থাশীল ছিলাম বলে বাজিকর সেজেছিলাম। এখন নিজেকে হাবাগঙ্গারাম ভাবা ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারিনা। কথা ছিলো আবেগ নিয়ে কোন কিছু লিখবো না আর, লিখিনি। চিন্তা করতে হবে এটা আবেগ কিনা। তেমন মনে হলো সরাসরি ডিলিট হবে। ঠিক,  মেঘের মেয়েকে আমি ভালোবাসিনি কখনোই। একটা গল্প লেখার চেষ্টা করেছিলাম ৭০% মিথ্যের রঙ, ২০% শব্দের কারসাজি এবং ১০% টাইম পাস থাকবে যাতে। হুমম সেটা তেমনই এক গল্প ছিলো।

শেঁকড় কথন- ১

•May 17, 2007 • Leave a Comment

দাদাকে ঈশ্বর উত্তরাধিকারসূত্রে প্রচুর সম্পত্তি দিলেন বটে কিন্তু বুদ্ধি করে ঘিলুতে বুদ্ধি দিলেন মেপে মেপে, কয়েক ছটাক! এই হাবাগঙ্গারাম দাদার হাবাগঙ্গারাম ছেলে আমার নিজেরই জন্মদাতা। সরকারী চাকুরীজীবি ছিলেন, তৎকালীন সময়কার মাছিমারা কেরানী! পাহাড়ে কয়েক বিঘা জমি ছিল, ওতে পান চাষ করা হতো, শন চাষ করা হতো আর কলা চাষ।  সমতলেও বেশ কিছু জমি ছিল। দাদা জীবিত থাকাকালীন সময়ে  কিছু জমি তিনি দান করে গেছেন। বাকী জমিতে নিজেরা খুব কম চাষ করতেন, দাদা এবং বাবা দুজনেই থাকতেন চট্টগ্রাম শহরে। বড় চাচা ঢাকায় সরকারী চাকুরীজীবি হওয়া স্বত্বেও তার ছিলো  সীমাহীন লোভ আর কুটবুদ্ধি। ছোট চাচা খুব কষ্ট করে কোনমতে ভাগ্যের সন্ধানে দিলেন পাড়ি সাত সমুদ্র , তেরো নদি। সবকিছু ঠিকমতই চলছিলো। সর্বনাশটা শুরু হলো বড় চাচার বিয়ের পর। তার বিয়েতে পন হিসাবে মেয়ে পক্ষকে প্রচুর টাকা দিতে হলো। দাদা ২ বছরের জন্য ৩ বিঘা জমি লাগিত দিলেন ১৬ টাকার বিনিময়ে, দিঘির আকৃতির একটা পুকুর বিক্রি করলেন ৩০ টাকায়! এমন আরো কিছু। বিনিময়ে বড় চাচা নিয়ে এলেন আফ্রিকান এক দুম্বা। দুম্বা বললে ভুল হবে, ছোট হাতি। একই গ্রামের মেয়ে বলে, বৌকে রাখলেন শশুর বাড়ি। ঢাকা থেক প্রতি মাসে ফেরার পথে আমাদের বাড়ির পথ ধরে আসতেন না, হিন্দু গ্রামটা টপকিয়ে কষ্ট করে গরুর গাড়ি ভোজাই বাজার করে শশুর বাড়ির ওজন বাড়াতেন। সংসার চললো হাবাগঙ্গারাম বাবার রোজগার আর জমি থেকে আসা ফসল দিয়েই। ফুফুর বিয়ের পর বাবার সেই চাকুরী যখন আর থাকলো না তখন সংসারটা পড়লো মহা ঝামেলায়। দাদা মরে ভুত, আর বাবা আসক্ত হয়ে পড়লেন ভাগ্য জোড়াতালির খেলা জুয়ায়। মনে পড়ে, মা কতবার শিখিয়ে দিয়েছিলো “যা তোর বাবাকে বল ঘরে আসতে, না আসতে চাইলে তুইও বসে যাবি, তাহলে তোর বাবা আসবে”। ফর্মুলাটা প্রথম কয়েকদিন বেশ কাজে দিলেও পরের কয়েকদিন পিঠে কিলঘুসি নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরতে হলো। প্রচুর নির্দয়ভাবে মারতেন তখন। বুঝতাম তিনি হেরে যাচ্ছেন। মাকে খুব কাঁদতে দেখেছি সেসময়। বয়স খুব কম থাকায় নিজেও পাশে বসে মায়ের সাথে কান্না করেছি। তখন সাংসারিক অবস্থা বেশ শোষনীয়। একরোখা/ ঘাড়ট্যারা আর সরল বাবার তখন একটাই চিন্তা কিভাবে হাজার হাজার টাকা খুব সহজে উপার্জন করা যায়। আসলে তখন বুঝতাম না এখন বুঝি সংসারে একজন মানুষ বেকারত্বে ভুগলে কেমন খিটখিটে হয়ে যায়। বাবা একে একে বেশ কিছু জমি বিক্রি করলেন, এমেরিকা থেকে আসা সব কিছু বিক্রি করলেন এমনকি মায়ের শাড়ি, বিছানার চাদর, ভাইয়্যার শার্ট!!! তো, এমতাবস্থায় ভাইয়্যা পড়ালেখা বিসর্জন দিলো। বাবার অজ্ঞতার সুযোগে লাগিত এবং বন্ধককৃত জমিগুলো কয়েক দফা বিক্রি হয়ে গেল, সে হিসেব রাখার মত তার অবস্থা ছিলো না। বড় চাচায় ঢাকায় বাড়ি করে ভুলে গেলেন গ্রামের কথা। ছোট চাচা তখন ফুফুর আর বড় চাচার সাথেই যোগাযোগ রাখতে সক্ষম হলেন, আমাদের সাথে তার দীর্ঘ ১৭ বছরে কোন সম্পর্ক থাকলো না। যেকোন কারনেই হোক, তবে আমার মনে হয় বাবার সংসার থেকে বিচ্যুতি আর বড় চাচার চালাকির কারনে তিনি আমাদের দেখেও না দেখে থাকলেন। ভাইয়্যাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে দেখলাম। যখন আমাদের অবশিষ্ট্য চাষের জমিতে তেমন ভালো ফসল হতো না তখন মাঝে মাঝে ভাইয়্যাকে দেখতাম পাহাড় থেকে কাঠ কেটে বাজারে বিক্রি করতে! অথচ আমরা যাদের আশ্রয় দিলাম, যাদের জমি দান করে থাকতে দিয়েছিলেন দাদা, তারাই আমাদরে চেয়ে অনেকাংশে ধনী তখন! মা কারো সাহায্য নিলেন না। মানসিক ভাবে তিনি কষ্ট পেলেও ছেলেকে নিয়ে তিনি সংসার চালাতে লাগলেন। ভাইয়্যা আমাকে ভর্তি করালেন স্কুলে। তারপর ঢাকায় পাঠালেন। তারপর এই আমি। মাঝে ভাইয়্যা বেশ ভালোই উন্নত করলো। সবই তার সৎ পরিশ্রমের ফসল। আমাদের অবস্থার উন্নতির সাথে সাথে বাবা আবার বদলে গেলেন। বেশ নামাজি হয়ে সব ছেড়েছেন। কোন কালেই তার লোভ ছিলো না জমিজমার প্রতি। তারপরও এখন আমাদের জমিগুলো বুঝে নেবার পালা। সেদিন গ্রামে যাবার পেছনে প্রচন্ড রাগ ছিলো। গ্রামে গিয়ে দেখি কোন কাজ কাম নাই, কেবল ঝা ঝা শূন্যতা। কিচ্ছু ভালো লাগে না। মাকে খুব কাছে টেনে নিলাম। তিনি চুলে হাত বুলাতে বুলাতে চলে গেলেন সূদূর অতীতে। লাফ দিয়ে উঠে বললাম, আমাদের সেসব জমিগুলোর দলিল কোথায়? তিনি বহুকষ্টে কয়েকটা আবিস্কার করলেন। আমি সেখান থেকে কিছু জমির দলিল নিয়ে কাংঙ্খিত জমিতে গেলাম। দেখলাম এটা কয়েক দফা মালিকানা বদল করেছে বিনা দলিলে!! থানায় যেতে হলো না, জমির মালিক সুরসুর করে চলে এলেন। আকুতি মিনতি করতে লাগলেন, আমি অনড়। উহু এবারই তাদের জমি ছাড়তে হবে। আমি চাই ভূয়া মালিকমহোদয়গণ একটু মাথা গরম করুক। তাহলে বুকের জ্বালাটা একটু দেখাইতাম তাগো। অন্তত তারা আগে যেমন ছিলো তেমন করিয়ে ছেড়ে দিতাম। আমরা ভেসেতো আর আসিনি, চৌদ্দগোষ্ঠীর শেকড়ের ফসল বুকেতে বোনা আছে।

Protected: কখনো কখনো ইচ্ছা করে মন খুলে বলি তোমায়. . .

•April 28, 2007 • Enter your password to view comments

This post is password protected. To view it please enter your password below:


আমি রোদ্রের মত চাই ভালোবাসা

•April 26, 2007 • Leave a Comment

১.
: এই তোর ওরনা কই, তোর ওরনা কই?
: ভুল হয়ে গেছে ক্ষমা চাই
: এরকম ভুল মাঝে মাঝে করিস
: চড় খাবি
: চড় দিস না
: কেন?
: ওরনা সরে যাবে!
: গেলে যাক, তবু যুদ্ধে জিততে চাই
: আরে বোকা মেয়ে যুদ্ধে তুই এমনিই জিতে আছিস

২.
: তোর আজ মেজাজ খিটখিট
: হু
: যা যা তফাৎ যা
: অমন করিস না
: কব্বো
: তাইলে তোর বুকে আর আসব্বো না
: আপাতত আসিস না
: তুই নিষ্ঠুর
: তাইতো
: তুই ঠেলাগাড়ি
: হ্যাঁ-তো
: যা তোর সাথে কথা নাই
: আরে দাঁড়া দাঁড়া, তুইযে লাল টুকটুকে টমেটো সেটা জানিস?

৩.
: তোকে আজ ধরেছি চেপে
: ছেড়ে দে শয়তান, ছেড়ে দে
: মুউ-হা-হা-হা ছাড়বো না, তোকে আজ চুমো দেবই দেব‍!
: হো হো হো শ-য়-তা-ন তুই আমার শরীর পেলেও মন পাবি না!

gravity of lonlyness

•April 23, 2007 • 12 Comments

শুনবি নাকি আমার এই ভাঙ্গা গলায় কলের গান? শুঁকবি নাকি এই বুকের বুনো জ্বালা? আয় তবে, শুনাই তোকে হলুদ ধানের ঝনঝনে সুর . . . যেখানে ভোরের কুসুম  রঙে বসে. . . শিশির দেখছে স্বয়ং রবিঠাকুর! কয়েকদিন আগের লেখা অসম্পূর্ণ একটা কবিতা। মোবাইলে সংরক্ষণ করা ছিল। হাবলা নাম্বার ওয়ান ছিলাম মনে হয়। এত বিভ্রম দেখেও সয়ে এলাম কি করে? ছাগলা নাম্বার ওয়ান। মানুষের ইমোশন নিয়ে টানা হেঁচড়া করেছিলাম কোনা এককালে, বয়সের দোষ ছিল :( অথচ সে দূষনের শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে আজ। দাদাটা মারা গেলেন, তবে তার আগে বেটায় ঢুকিয়ে গেলো ভেতরে আমার কচুটাইপ বানী, সে বানী দিবানিশি্ জ্বালাতন করতেই থাকলো, করতেই থাকলো, ‘মানুষ ঠকাইস না কোনদিন. . .’ ধুর কিসব আবল তাবল বকি!

সময়ের দীর্ঘ পথে হেঁটে যেতে হবে বহুদূরে. . .

•April 21, 2007 • 3 Comments

ব্যস্ত দিনের ফাঁকে বৃষ্টি ছাট গায়ে, রোদে বসে সময় সুরকার সাজে। শ্রোতা শুধু মাতাল মন, এলোমেলো পায়ে হেঁটে চলে বন্য অভিলাসে। ঘুম ঘুম ক্লাশরুম ডিঙ্গিয়ে নিউ মার্কেট হয়ে অফিস। তারপর এই অন্ধরাতে এসে নিজের সাথে প্রতারণা। বহুজাগতিক অভিলাস আমার। তীক্ষ প্রতিবাদে ধ্বসে পড়ে পরাজিত ভালোবাসা। পরাজিত আমি, পরাজিত ছেলেমানুষীপনা, পরাজিত শুভ্র স্বপ্নেরা. . . ভুলে ভরা জীবন. . . যেখানে স্বপ্নেরা উৎসুক চোখে চেয়ে থাকে ব্যতিক্রমের আশে. . . খারুজ আমি বুঝিনাই, বুঝিনাই। বিভ্রম চারদিকে, বিভ্রম তার চোখের ভাষায়, বিভ্রমে তার হাসি, বিভ্রমে ভরা তার একান্ত কথা। একান্ত কথা. . . ? বোকা খারুজ। নিজের বলে কিছুই যেখানে নাই আমার, সেখানে নতজানু হয়ে প্রিয় ভালোবাসা ‘খুজে ফিরে’ আসায় প্রমাণিত হয় এই ভালোবাসাটা ‘কুতসিত’! কলঙ্কের হাওয়ায় উড়ে উড়ে ঘোর নেশাগ্রস্ত মাতালের মত ঝিম মেরে পড়ে থাকে স্যাতস্যাতে অন্ধরাতে। ভালোবাসা. . . এই অদ্ভুত শব্দের টানে নিজেকে প্রতারিত করছি প্রতিদিন. . . ভুল ছবি আঁকছি প্রতিদিন। প্রতারিত এই আমার অভিলাস, প্রতারিত আমার হাসি, প্রতারিত চোখের বাষ্প, প্রতারিত আমার রাগান্বিত ধ্বনি. . . নিজেকে ছোট করার অভিলাসে ভাঙ্গছি নিজেকে আজ, কাল সময় নাও হতে পারে। ভালোবাসার প্রলোভনে আজ পরাজিত হয়ে আমি নতুন করে নিজেকে জানলাম। পৃথিবীকে দেবার মত তেমন কিছুই আমার নাই, কখনোই হবে না। হাসনাহেনারা ফুটুক, চাদ উঠুক, পাখিরা ডাকুক . . . প্রেমিকরা এমনি করেই মাঠে মারা যাক। আমি আর বাসবো না ভালো, প্রহরগুলো বড় বিষন্ন, ওদের পাখায় ক্লান্তির ময়লা, হাজার চেষ্টা করলেও একদলা কবিতা উড়বে না ওতে আর।

: অদ্ভুত, এলোমেলো, বুদঘুটে প্রলাপ!
: অপরিবতর্নীয়, বছর খানেক পর এটা পড়ে লজ্জা পাইতে চাই
: সময়- ২.১৩ এ.এম, তারিখ- ২২-৪-০৭ইং, স্থান : পল্লবী, ঢাকা